রমজানে বিশেষ কার্যক্রম

আত্মশুদ্ধির মাস পবিত্র রমজানে ফাউন্ডেশনের রয়েছে বেশকিছু কার্যক্রম। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো কোয়ান্টায়নে খতমে কোরআন- যেখানে মৌনতার স্তরে কোরআন তেলওয়াৎ ও এর মর্মবাণী শোনা হয়।   আসলে মানবজাতির আলোকিত জীবনের দিক-নির্দেশনা আল কোরআন নাজিল হয় পবিত্র রমজানে। আর এ মহাগ্রন্থের দিক-নির্দেশনার আলোকে জীবনকে সঠিক পথে পরিচালিত করার জন্যে প্রয়োজন কোরআনের মর্মার্থ অনুধাবন। আর কোয়ান্টায়নে কোরআন সে সুযোগই এনে দেয় অংশগ্রহণকারীদের জীবনে। একটানা ৭ দিনে প্রতিদিন সাড়ে ৬ ঘণ্টা করে মোট ৪৫ ঘণ্টায় মৌনতা ও ধ্যানের স্তরে তরজমাসহ কোরআন তেলাওয়াত শোনার মাধ্যমে সম্পন্ন হয় এই কোয়ান্টায়নে খতমে কোরআন।

কোরআনের ধ্যান একদিকে কোরআনকে জানার সাথে সাথে মানার আকুতি যেমন বাড়াবে, তেমনি সওয়াব বাড়া্রও সম্ভাবনা অফুরান। নবীজি (সা) বলেছেন এক ঘণ্টার ধ্যান ৭০ বছরের নফল ইবাদতের চেয়ে উত্তম। আর রমজান মাসে যেকোনো ইবাদতের সওয়াব হয় কমপক্ষে ৭০ গুণ। আবার জামায়াত বা যৌথভাবে কোনো ইবাদত করলে তার সওয়াব হয় কমপক্ষে ৭০ গুণ। তাছাড়া কোরআন শিক্ষা যেহেতু ফরজ, তাই ফরজ কাজের সওয়াব নফলের ৭০ গুণ। এ হিসেবে ৪৫ ঘণ্টার কোরআন ধ্যান কমপক্ষে ৪৫ x ৭০ বছর x ৭০ x ৭০ x ৭০) = ১০৮ কোটি ৪ লক্ষ ৫০ হাজার বছর নফল ইবাদতের চেয়ে উত্তম। 

খতমে কোরআন শেষে রয়েছে ২ দিনব্যাপী আখেরি দোয়া। গুরুজীর পরিচালনায় এ বিশেষ কার্যক্রমে কোরআন ও দিকনির্দেশনার ওপর বিশেষ আলোচনা ও মেডিটেশন অনুষ্ঠিত হয়।

দেশের প্রায় সব শাখা-সেল-সেন্টারেই কোয়ান্টায়নে খতমে কোরআন অনুষ্ঠিত হয়। তবে আখেরি দোয়া হয় কেন্দ্রীয়ভাবে।

Site's Category: