ত্রাণ কার্যক্রম

ভয়াবহ বন্যা ও প্রাকৃতিক দুযোর্গে আর্ত-মানবতার সাহায্যে সবসময়ই এগিয়ে এসেছে ফাউন্ডেশন। বিভিন্ন অঞ্চলে পরিচালনা করেছে ত্রাণ কার্যক্রম। ১৯৯৮ সালের বন্যা পরবর্তী সময়ে ঢাকার অদূরে রূপগঞ্জের পশ্চিমগাঁও গ্রামটিকে ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে পুনর্বাসিত করা হয়। ত্রাণ, গৃহনির্মাণ সামগ্রী ও চিকিৎসাসেবা সরবরাহ করা হয় পরবর্তী দুবছর।
২০০৪ সালের বন্যায় দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে ফাউন্ডেশনের আহবানে সাড়া দিয়ে নিজেদের একদিনের আয় বা ব্যয়ের সমপরিমাণ অর্থ ফাউন্ডেশনের ত্রাণ তহবিলে দান, ত্রাণ সংগ্রহ ও বিতরণে অংশ নিয়েছেন অগণিত নিবেদিতপ্রাণ সদস্য। কেন্দ্রীয় স্যালাইন প্রকল্পে ১০০ ঘণ্টায় ১ লক্ষ প্যাকেট স্যালাইন তৈরি হয়। কাজ করেছেন সত্তরোর্ধ বৃদ্ধা থেকে শুরু করে ৬ বছরের শিশু। ২০০৭ এ দীর্ঘ দুমাসব্যাপী ঢাকা, যশোর, সিলেট, সুনামগঞ্জ, জামালগঞ্জ, ও শেরপুরের বন্যাদুর্গত বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকায় ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
নভেম্বর, ২০০৭ ঘূর্ণিঝড় সিডরের আঘাতে বিপর্যস্ত দক্ষিণাঞ্চলের দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে চলে সিডর রিলিফ কার্যক্রম। ২০০৯ সালে সিডর বিধ্বস্ত এলাকায় স্থাপন করা হয় ৬টি নলকূপ। ২০০৯-এ ঘুর্ণিঝড় আইলা বিধ্বস্ত দক্ষিণাঞ্চলেও পরিচালিত হয় ত্রাণ কার্যক্রম।