তারুণ্যের ইশারা যেন কাজ করছে আমার মধ্যে

তারুণ্যের ইশারা যেন কাজ করছে আমার মধ্যে
কোয়ান্টামে এসে আমি এক নতুন জগৎ পেয়েছি যে জগতটা আমার জানার বাইরে ছিলো। দীর্ঘকাল ধরে আমি শিক্ষকতা করছি, বিভিন্ন কাজ করছি। শরীরটাও বয়সের কারণে রোগ-ব্যাধিতে একটু ধরেছে, কিন্তু সেটাই আসার কারণ না। সত্যি হলো কোর্সে এসেছি জানার আগ্রহ নিয়েই। এবং এসে বুঝেছি সিদ্ধান্তটা কত ঠিক ছিলো। গুরুজীর আলোচনা খুব ভালো লেগেছে।
৪ দিনে তো এক মিনিটের জন্যও বাইরে যাই নি। আর ৪ দিন পর তো মনে হলো আমি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে গেলাম। হাঁটুর আগের সেই ব্যথাটা আর নেই। তারুণ্যের ইশারা যেন আমার মধ্যে এসে কাজ করলো। অনুভব করলাম জীবনীশক্তি এবং মানসিক শক্তি বেড়ে গেছে অনেকখানি। মেডিটেশনের সময় যখন আমি বলি আমার কোনো রোগ নাই, আমি ভালো আছি, আমার শরীরের সমস্ত ব্যথা চলে গেছে, মানসিক শক্তি বেড়ে গেছে, শ্রবণশক্তি বেড়ে গেছে, দৃষ্টিশক্তি বেড়ে গেছে তখন এগুলো যেন উপলব্ধির মধ্য দিয়ে টের পাই যে সত্যিই আমার এগুলো বেড়েছে।
এ কোর্সটি করলে তরুণদের মধ্যে ‘ভালো’কে গ্রহণ ও ‘মন্দ’কে বর্জন করার মানসিকতা জন্ম নেবে। আমি নিজেও কোয়ান্টাম মেথডের মাধ্যমে নতুন জীবনের সন্ধান পেলাম। কোর্সে এসে আমার ধৈর্য, প্রশান্তি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার ক্ষমতা বেড়েছে। প্রতিদিন দুইবেলা মেডিটেশন না করলে মনে হয় কী যেন হলো না। মেডিটেশনকে আসলে প্রত্যেকেরই দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত করা উচিত।
আমি সবসময় বলি, মা-ই সন্তানের জীবনে প্রথম শিক্ষক। মানুষের জীবনের প্রথম স্কুল তার পরিবার। পরিবার থেকেই তার নৈতিক শিক্ষার ভিত তৈরি হয়। অভিভাবকদের বলি, সন্তানের জন্যে সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলতে ব্যস্ত না থেকে তার প্রতি প্রয়োজনীয় মনোযোগ দিন। একদিন এই সন্তানই আপনার সম্পদে রূপান্তরিত হবে। তখন আপনি কী রেখে গেলেন সেদিকে না তাকিয়ে সে নিজে অর্জন করতে সচেষ্ট হবে।
প্রতিটি পরিবার যদি সন্তানদের সদাচরণ ও সততার শিক্ষা দিয়ে গড়ে তোলে তাহলে সমাজ ও দেশ এমনিতেই সুন্দর হয়ে উঠবে। সবখানে শান্তি ফিরে আসবে। এই কাজটিই একটি চমৎকার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে করছে কোয়ান্টাম। তরুণ প্রজন্ম এখানে এসে সঠিক পথ খুঁজে পাবে।
জাতি হিসেবে আমাদের পরিচয় অত্যন্ত গৌরবের। আমাদের ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতা যুদ্ধ নিয়ে আমরা গর্ব করি। তাই এ দেশকে গড়ে তোলার দায়িত্বও আমাদের। মানুষকে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে জাগিয়ে দিয়ে এই কাজটি চমৎকারভাবে করছে কোয়ান্টাম। আমি প্রত্যাশা করি, কোয়ান্টামের এ আলোকিত জীবনের বাণীকে প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিতে পারলে প্রতিটি প্রাণ উজ্জীবিত হবে। আত্মশক্তিতে বলীয়ান হয়ে গড়ে উঠবে একটি শোষণমুক্ত নির্লোভ উদার সুশৃঙ্খল দেশ ও জাতি।