ডিপার্টমেন্টে রেকর্ড মার্কস

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম দিনগুলোতে নিজের ভেতর প্রচণ্ড ক্ষোভ বয়ে বেড়াতাম। নিজের প্রতি ক্ষোভ, ঠিকমতো আর্থিক সহযোগিতা পাই না বলে বাবা-মার প্রতি ক্ষোভ। আর এর ছাপ পড়ছিলো পড়ালেখায়, একটু একটু করে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছিলাম। যেখানে আমি ভর্তি পরীক্ষায় ২য় হয়েছিলাম, সেখানে প্রথম বর্ষে আশানুরূপ কিছু করতে পারলাম না।
ঐ সময় কোয়ান্টাম মেথড বইটি হাতে পেয়ে যেন নতুন এক উদ্দীপনা খুঁজে পেলাম। ফলাফল- প্রথম বর্ষের মানোন্নয়ন পরীক্ষায় ২য় স্থান অধিকার করলাম। এর মধ্যে টাকা ধার করে কোর্সে অংশ নিই। মনছবি করলাম- আমি প্রথম হবো। কী কী পেতে চাই- সব একটা কাগজে লিখে ফেললাম। সবসময় ওটি আমার সাথে থাকতো। যখনই মনে পড়তো অটোসাজেশন দিতাম। সেই সাথে ছিলো রুটিনমাফিক পড়াশোনা। রাতে মাত্র ৪ ঘণ্টা ঘুমাতাম। মনছবির সাথে পুরো একাত্ম হয়ে যেতে পেরেছিলাম। আর এর ফলও মিলেছিলো হাতেনাতেই। ২য় বর্ষে জিপিএ ৩.৬৩ পেয়ে আমি ইংরেজি ডিপার্টমেন্টে রেকর্ড করে ফার্স্ট হলাম।