কোয়ান্টাম হিলিং : সাফল্য ও নিরাময়ের নতুন দিগন্ত

যাপিত জীবনে সাফল্য যেমন আসে, ব্যর্থতাও তেমনি চারপাশে ঘোরাফেরা করে। এরই মাঝ থেকে কিছু মানুষ ক্রমাগত সাফল্যের পথে অগ্রসর হয়। আবার কিছু মানুষ বার বার ব্যর্থ হয়। আপাতদৃষ্টিতে মনে হয় ব্যর্থতা তার পিছু ছাড়ছে না। এ নিয়ে প্রচলিত প্রবাদ আছে, প্রকৃতির প্রতিদান প্রথমেই নিজের দিকে ফিরে আসে। এজন্য অনেকে বলেন, অন্যের জন্যে গর্ত করলে আগে সে গর্তে নিজেকে পড়তে হয়। তেমনি- অন্যের জন্যে কল্যাণ কামনা বা শুভকামনা ও প্রথমেই নিজের দিকে আসে। এটাই হচ্ছে- ল’ অফ নেচারাল রিটার্ন বা প্রকৃতির প্রতিদান।
গত ৩ জুন দেশব্যাপী শাখা-সেল-সেন্টারে কোয়ান্টাম হিলিং এর ওপর এ আলোচনা হয়। তারা বলেন, নিজের ও অন্যের শারীরিক, মানসিক পেশাগত, বৈষয়িক যে কোনো সমস্যামুক্তি বা কল্যাণ কামনায় আন্তরিক প্রার্থনার প্রক্রিয়া কোয়ান্টাম হিলিং। পরম করুণাময় সে প্রার্থনা কবুল করেন, যে প্রার্থনায় প্রার্থনাকারী স্রষ্টায় সমর্পিত হয়ে নিজের ও অন্যের কল্যাণ কামনায় লীন হয়ে যায়।
আধ্যাত্মিক এ প্রয়োগ আজ বিজ্ঞানীরা সফলভাবে ব্যবহার করে চলেছেন চিকিৎসা বিজ্ঞানে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে ১১টি গুরত্বপূর্ণ মেডিকেল কলেজে চিকিৎসা বিজ্ঞানের পাশাপাশি রোগীর নিরাময়ে প্রার্থনার এ বিশেষ প্রক্রিয়া শেখানো হয়। দেখা গেছে চিকিৎসার পাশাপাশি যাদের জন্য প্রার্থনা করা হয় তারা সুস্থ হয়ে ওঠেন তুলনামূলকভাবে অন্যদের চেয়ে কম সময়ে । যে কারণে প্রার্থনাকে এখন চিকিৎসা বিজ্ঞানের একটি গৃরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ বলে বিবেচিত হয়।
শ্বাশ্বত ধর্মের আলোকে দোয়া, দাওয়া ও দানের সুসমন্বয়ে কোয়ান্টাম হিলিং। আপনার যে কোন সাফল্য বা প্রত্যাশা বাস্তবায়নে হিলিং এ নাম দিতে পারেন নিকটবর্তী শাখা সেল বা সেন্টারে। এ প্রক্রিয়ায় অনেক জটিল ও দুরারোগ্য ব্যধি থেকে আরোগ্য লাভ করেছেন অনেকেই।