কোয়ান্টায়ন ॥ হিরন্ময় মৌনতার শক্তি

‘কোয়ান্টায়ন’ বা হিরন্ময় মৌনতার স্তরেই একজন মানুষ লাভ করে প্রচলিত দুষ্টচক্রের শৃঙ্খল ভাঙার অন্তর্গত শক্তি। আত্মমগ্নতার এ গভীর স্তরে যখন মন গিয়ে মেশে আত্মার সংযোগস্থলে। তখন সে তার ভয় উদ্বেগ হতাশা কাটিয়ে লাভ করে অভূতপূর্ব প্রশান্তির উপলব্ধি। পুরনো আমি-র জায়গায় স্থান করে নেয় নতুন আলোকিত আমি। ভ্রান্ত ও ক্ষতিকর আচরণ-অভ্যাস ছিন্ন করে বপন করে মুক্ত আচরণ-অভ্যাসের বীজ। এ বীজই বিকশিত হয়ে পরিণত হয় প্রাচুর্য, সাফল্য ও খ্যাতির মহীরুহে।
সকাল ৮ টা থেকে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত নিধারিত নির্ঘন্ট অনুসরণ করে অনুষ্ঠিত হয় এ কোয়ান্টায়ন। আত্মশুদ্ধি ও আধ্যাত্মিক জ্ঞান অর্জনের জন্যে ক্রমাগত সাধনার একটি ফলপ্রসূ পদ্ধতি কোয়ান্টায়ন। কেন্দ্রের কোয়ান্টায়ন হল ছাড়াও সকল সেন্টারে নিয়মিত কোয়ান্টায়ন অনুষ্ঠিত হয়। পুরুষ ও মহিলাদের জন্যে আলাদা ব্যবস্থা রয়েছে।
সাধারণেরা লোকজন নিয়ে কথা বলে
শিক্ষিতরা ঘটনা নিয়ে আলোচনা করে
বুদ্ধিমানরা ধ্যান-ধারণা বিনিময় করে
আলোকিতরা হিরন্ময় মেৌনতায় ডুবে যায়
