আগামী দিনের অনন্য মানুষেরা

সাদিয়া

আমার ছেলের যখন জন্ম হয় আমি তখন ছাত্রী। গর্ভাবস্থায় নিয়মিত আনন্দের মেডিটেশন করেছি। জন্মের পর নিয়মিত অটোসাজেশন দিয়েছি ‘আমরা সবসময় আনন্দময়’ ‘আমরা সবসময় প্রশান্তিময়।’ করুণাময়ের অনুগ্রহে আমার ছেলের ঘুম ভাঙে হাসি দিয়ে। সারাদিন হেসে খেলে কেটে যায়। একটা বিভাগীয় শহরে ওকে নিয়ে একা থাকতাম। এমনও হয়েছে মুদি দোকানদার, বস্তির মহিলার কাছে ওকে রেখে ভার্সিটিতে যেতে হয়েছে। সব পরিস্থিতির সাথে সে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছে। এখন ওর বয়স ৫ বছর। আল্লাহর রহমতে এখন পর্যন্ত ওর কোনো বড় অসুখ হয় নি। যখন খেতে চাইতো না, বলতাম- শুদ্ধ খুব ভালো ছেলে, খাবার দিলেই খেয়ে ফেলে। এদিকে ৪ মাস আগে জন্ম নেয়া আমার মেয়েটি রাতে ঘুমাতে চাইতো না। আমি তাকে কোলে নিয়ে বলতাম, ‘তুমি ভালো মেয়ে, তুমি হাসিখুশি, তুমি রাতে ঘুমাও।’ ওদের দুজনকেই আমি অটোসাজেশন দিই, ‘তোমরা অনন্য মানুষ হবে।’ একদিন আমার সে সাজেশনও সত্যি হবে এই স্বপ্নই আমি দেখি।