অটিস্টিক সন্তানটি এখন সুস্থতার দিকে

কোয়ান্টাম গ্রাজুয়েট সাকিনা শারমিন খান। স্বামী আর দুই সন্তান নিয়ে তার সুখের সংসার। অনাবিল সুখ সাচ্ছন্দ্যের মাঝেও যে বিষয়টি তাকে প্রতিনিয়ত কষ্ট দেয় তা হলো বড় সন্তানের অটিজম্।
সাকিনা শারমিন বলছিলেন কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের ইতিবাচক পরিবেশ আর কোয়ান্টাম পরিবারের সবার দোয়া তার মাঝে শক্তি সঞ্চার করে সন্তানের এই অসুস্থার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার। ফাউন্ডেশনের কোনো প্রোগ্রামই তাই মিস করতে চান না তিনি।
এরকমই এক প্রোগ্রামে পরিচিত হন একজন গ্রাজুয়েট ভদ্রমহিলার সাথে যিনি তাকে জানান তার সন্তানও অটিস্টিক ছিলো। ছেলের সুস্থতার নিয়তে শিশুকাননের একটি শিশুকে আত্মিক সন্তান হিসেবে গ্রহণ করার পর ধীরে ধীরে তার সন্তানের অটিজম ভালো হয়ে গেছে।
এই ঘটনা সাকিনা শারমিনকে যারপরনাই আলোড়িত করে। তিনি শিশুকাননের একটি শিশুকে আত্মিক সন্তান হিসেবে নেবার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি আরো বললেন ‘যেবার লামায় গিয়েছিলাম, শিশুকাননের বাচ্চাদের প্রতি এক অদ্ভুত মমতা অনুভব করেছি। ওরা যখন লাল-হলুদ টি-শার্ট গায়ে পাহাড় বেয়ে নামছিলো, দূর থেকে দেখে মনে হচ্ছিলো কেউ যেন পাহাড়টা লাল আর হলুদ রঙে রাঙিয়ে দিয়েছে। বাচ্চাদের প্রাণচাঞ্চল্য আর শৃঙ্খলাও অবাক করার মতো। খুব তৃপ্তি অনুভব করি যখন মনে হয় ওই বাচ্চাগুলোর মাঝে একজন আমার আত্মিক সন্তান।’
পরম করুণাময়ের রহমতে যখন থেকে সন্তানের নিরাময়ের নিয়তে আত্মিক সন্তানের ভরণপোষণে সহায়তা করছেন তখন থেকে সাকিনা শারমিনের সন্তানও ধীরে ধীরে সুস্থ আর আগের তুলনায় বেশ অনেকখানি স্বাভাবিক হয়ে উঠছে।